পড়ার অভ্যাস: A Gateway to Deeper Thinking

পড়ার অভ্যাস: A Gateway to Deeper Thinking

পড়ার অভ্যাস: A Gateway to Deeper Thinking

পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে সেই অভ্যাসের সাথে আপনি বোনাস হিসেবে যেসব অভ্যাস পাবেন তা হলো—ভালোভাবে বলতে পারার অভ্যাস, প্রেজেন্ট করার অভ্যাস ও কৌশল, এবং সবচেয়ে লোভনীয় অভ্যাস বা ইচ্ছা—লিখতে পারার অভ্যাস এবং কৌশল।

এই অনুভূতি আমার বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া হলেও, এই পর্যায়ে কনফিডেন্স নিয়ে বলতে পারার পেছনে আমার পছন্দের লেখক, প্রবন্ধকার, কবি, বিজ্ঞানী, শিক্ষক—সবার একত্রিত প্রকাশিত এবং প্রাপ্ত জ্ঞানের ভাণ্ডার আমাকে সাহায্য করেছে জ্ঞানের জগতে কীভাবে বিচরণ করতে হয়, তা বুঝতে।

আপনি বলতেই পারেন, “তুমি কি আর এমন জ্ঞানী হয়ে গেলে?”—এটা আমার পথে বাধা হওয়ার মতো যোগ্যতা রাখে না। ভালো লাগলে পড়বেন এবং মতামত দেবেন।

আমি ভালো করে জানি, হাজারো ভিডিও কনটেন্টের মাঝে লেখালেখি দেখলে অনেকেরই চোখ সেদিকে যায় না। তারপরেও যারা পড়ে, তারা পড়ে। আর লেখার মাঝে যদি কিছু ইন্টারেস্ট না থাকে, তাহলে কেউই পড়বে না—এমনকি লেখক নিজেও দ্বিতীয়বার পড়ার অনুপ্রেরণা পান না নিজের লেখা থেকেই।

যাই হোক, শুধু রিল আর শর্ট ভিডিও দেখছেন খুব মজা করে—এমনকি নেশা হয়ে গেছে শর্ট ভিডিওর প্রতি? তাহলে আপনি নিজেই চেক করে দেখবেন যে, একটা পূর্ণদৈর্ঘ্য মুভি দেখতে গেলে আপনি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। অর্থাৎ মনোযোগ দেওয়ার শক্তি কমে যাচ্ছে আপনার।

পরিশেষে বলব, আপনি যা ইচ্ছা তাই দেখুন। কিন্তু অনলাইন হোক কিংবা অফলাইন—বই পড়ুন, আর্টিকেল পড়ুন, লিখুন। ভালো লাগবে। অনুভব করতে ইচ্ছা করবে—মানুষ হয়ে এই মহাবিশ্বে আমার অস্তিত্ব কোথায়? আমার কি কোনো কিছু করার প্রয়োজন আছে, নাকি সবকিছু অটোমেটিকভাবে অনেক আগেই নির্ধারিত এবং সেই ভাবেই কি আমরা পরিচালিত হচ্ছি? এই আর্টিকেলটি কি আগেই কেউ লিখে রেখেছিল, আমি কেবল আবার উপস্থাপন করছি? অথবা আমার মাধ্যমে শুধুমাত্র উপস্থাপিত হলো?

কেমন লাগে আমার লেখা? জানাবেন কমেন্ট বক্সে।

লিখতে চেষ্টা করি এবং লিখতে ভালো লাগে।

— Dipankar Biswas

Post a Comment

Previous Post Next Post